ঢাকা | মঙ্গলবার | ৩১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১২ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

বিকাশ, নগদ ও রকেটে টাকার লেনদেনে চার দিনের বিধিনিষেধ উঠে গেল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টাকার অপব্যবহার রোধে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে চারদিনের শর্ত আরোপ করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। শুক্রবার নয়—রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতের ঘোষণার পর এসব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছিল। গতকাল রাত ১২টার পর থেকে ওই বিধিনিষেধগুলো তুলে নেওয়া হয়েছে।

বিধিনিষেধ চলাকালে বিকাশ, রকেট, নগদসহ এমএফএসের গ্রাহকরা একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠাতে পারতেন এবং প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০টি পি-টু-পি লেনদেন করার সীমা চালু ছিল। তদুপরি, এমএফএসের মাধ্যমে অন্যান্য সব ধরনের লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধের নিয়ম বদলেনি—সেগুলি আগের মতোই করা যেত।

নির্দেশনায় বলা হয়েছিল এসব সীমা আরোপের সময় ক্লোজ মনিটরিং, সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত থানায় রিপোর্ট করার ব্যবস্থাও থাকবে। প্রতিটি এমএফএস প্রতিষ্ঠানকে গ্রাহক অভিযোগ দ্রুত মেটাতে ‘‘কুইক রেসপন্স সেল’’ গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য ব্যাংক ও এমএফএসগুলো এগিয়ে এসেছে। নির্ধারিত সময় সীমা শেষ হলে স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে বলে জানানো হয়েছিল এবং সেই সীমা শেষ হওয়ায় এখন সাধারণ লেনদেন শুরু হয়েছে।

এই নির্দেশনা নিয়ে প্রতিদিনের আর্থিক লেনদেনে সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল—কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ যারা দ্রুত টাকা পাঠাতে চেয়েছিলেন, তারা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনকালে টাকার অপব্যবহার রোধ করা; এখন সেই সময়সীমা শেষ হওয়ায় পুনরায় স্বাভাবিক সেবা শুরু হওয়ায় গ্রাহকরা পুনরায় প্রয়োজনীয় লেনদেন করতে পারবেন।

(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক; প্রতিবেদক: এমকে)

এ বিভাগের আরও খবর